শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন

প্রধান পৃষ্ঠপোষকঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ জহির উদ্দিন স্বপন
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
প্রধান সম্পাদকঃ লায়ন এস দিদার সরদার
সম্পাদকঃ কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলাশ
সহকারী সম্পাদকঃ লায়ন এসএম জুলফিকার
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে জুলাই যোদ্বা শানু আকনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মেহেন্দিগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাইয়ের হাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি আহত! ভান্ডারিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ টাকা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ভান্ডারিয়ায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দুই আসনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ “শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড” পেলেন বানারীপাড়ার নুসরাত জেরিন বানারীপাড়ায় বর্ণীল আলোকসজ্জা ও জমজমাট আয়োজনে কার্তিক পূজা অনুষ্ঠিত বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত ইতিহাসের সর্ব বৃহত্তম নারী সমাবেশে রহমাতুল্লাহ বরিশালে রাত পোহালেই বিএনপি নেত্রী ফাতেমা রহমানের ঠিকানা প্রত্যান্ত অঞ্চল সংবাদ সম্মেলন করে কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের বিরুধ্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ আনলেন গৌরনদীর বিএনপি নেতা সজল সরকার
বাড়লো বিমান ভ্রমণের খরচ

বাড়লো বিমান ভ্রমণের খরচ

বাংলাদেশে বিমানে যাত্রায়াত খরচ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ‘বিমানবন্দর উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা ফি’ নামে আজ রোববার থেকে এই বর্ধিত ফি নেয়া হচ্ছে। আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় রুটে ভ্রমণের ক্ষেত্রে আলাদা হারে এই ফি নেয়া হচ্ছে। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে কোন বিমানবন্দর দিয়ে সার্ক-ভুক্ত দেশগুলোতে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিমানবন্দর উন্নয়ন ফি ৫ ডলার এবং নিরাপত্তা ফি ৬ ডলার দিতে হবে। আবার দেশে ফিরে আসার ক্ষেত্রেও সমপরিমাণ অর্থ দিতে হবে। অন্যদিকে সার্কভূক্ত দেশের বাইরে ভিন্ন কোন দেশে গেলে যাওয়া এবং আসার ক্ষেত্রে একজন যাত্রীকে ৪০ ডলার দিতে হবে। শুধু বিদেশে আসা-যাওয়া করা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই নয়, দেশের ভেতরে অর্থ্যাৎ অভ্যন্তরীন রুটের যাত্রীদেরকেও বিমানবন্দর উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা ফি দিতে হবে। দেশের অভ্যন্তরে একবার বিমানবন্দর ব্যবহার করলে দিতে হবে ১৭০ টাকা।

এ ব্যাপারে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মহিবুল হক জানান, বাংলাদেশের বিমান বন্দরগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রতিবছর প্রায় ৪০০০ কোটি টাকা খরচ হয়। এ পরিচালনা ব্যয় মেটানোর জন্যই এ ফি নেয়া হচ্ছে। এতে প্রতিবছর সরকার ৬০০ কোটি টাকার মতো পাবে বলে আশা করেন তিনি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ ধরণের ফি নেয়া হয় দাবি করে মহিবুল হক বলেন, এই রিজিওনের ভেতরে আমরা সবচেয়ে বিলম্বে এটা কার্যকর করছি এবং সবচেয়ে কম অর্থ নিচ্ছি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2024 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com